আরএমসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার ফিফার পুরস্কার বিতরণীতে ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন এবং স্পেন দলকে বিশ্বকাপের পদক ও ট্রফি তুলে দেন, তবে পরিস্থিতি কিছুটা বিব্রতকর ছিল।
স্পেন অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর ফিফার পুরস্কার পর্বে ট্রাম্পের ভূমিকা ছিল বড়। তিনি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তাঁর প্রভাব যেন শুধু তাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না।
নির্ধারিত ব্যবস্থায় ট্রাম্প নিউইয়র্কের স্টেডিয়ামের ঘাসের পুরস্কার মঞ্চে দাঁড়ান, পাশে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরপর রদ্রি, কুবাসি ও উনাই সিমনকে ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেন—যথাক্রমে সেরা খেলোয়াড়, সেরা তরুণ খেলোয়াড় ও সেরা গোলরক্ষক। তিনি পরাজিত আর্জেন্টিনা ও চ্যাম্পিয়ন স্পেন—দুই দলকেই পদকও দেন।
আগে বলেছিলেন ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলাতে “খুব একটা ইচ্ছে নেই”, কিন্তু করবেন “জেলে না যাওয়ার জন্য”—সেই বোর্খা ইগলেসিয়াসও আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। সেলতা খেলোয়াড় শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাত হালকাভাবে স্পর্শ করেন এবং তাঁর দিকে সোজা তাকাননি।
তবে পুরস্কার অনুষ্ঠানের সবচেয়ে অদ্ভুত দৃশ্য আসে কয়েক মিনিট পর। ট্রাম্প ও ইনফান্তিনো একসঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফি রদ্রির সামনে নিয়ে আসেন, যাতে স্পেনের অধিনায়ক সহকর্মীদের সঙ্গে ট্রফি তুলতে পারেন। মূল পরিকল্পনা ছিল ট্রাম্পও তাঁদের সঙ্গে ট্রফি তুলবেন—ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো—এবং ছবির স্পষ্ট জায়গায় দাঁড়াবেন।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুজন স্পেন দলের গ্রুপ ছবির একেবারে বাম প্রান্তে দাঁড়ান—একাকী, প্রায় যেন ঠেলে সরিয়ে দেওয়া। কয়েক মিনিট পর তাঁরা আগেভাগেই চলে যান, স্পেন দলের উদযাপনের জন্য জায়গা ছেড়ে দেন। প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গায়।

পরবর্তী নিবন্ধ: নেই